বাংলা লাইব্রেরী


Channel's geo and language: India, Bengali
Category: Books


ইন্টারনেটের সহজলভ্য বইয়ের ঠিকানা।


Channel's geo and language
India, Bengali
Category
Books
Statistics
Posts filter




বইঃ উপছায়া
সম্পাদকঃ ড. সুকুমার সেন
তথ্যঃ আট বছরের বালক থেকে আশি বছরের বৃদ্ধ সবার কাছেই ভূতের গল্পের আকর্ষণই আলাদা। বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যাবেলায় আধ আলোয় মুড়ি বাদাম খেতে খেতে লোডশেডিং-এ মোমের আলোয় অথবা শীতের রাতে লেপের তলায় গুটিসুটি মেরে ভূতের গল্প পড়বার মেজাজই আলাদা। সেই ভূতের গল্প যদি লোমহর্ষক হয় তাহলে আর কথাই নেই। আজকের যুগে ব্যস্ত পাঠকের কাছে গোয়েন্দা কাহিনি আর ভাল ভূত বা রোমাঞ্চকর গল্পের আকর্ষণ কিন্তু বিন্দুমাত্র কমেনি। অতৃত্প প্রেতাত্মার পুনরাগমন, পুরোনো জীর্ণ নীলকুঠির মধ্যে অথবা দীর্ঘদিনের অব্যবহৃত কোন পোড়োবাড়ির মধ্যে রোমাঞ্চকর, অদ্ভুত, বুদ্ধিগ্রাহ্য নয় এমন সব ঘঠনাবলীর প্রতি মানুষের আগ্রহ অপরিসীম। ভূত আছে কি নেই, থাকলেও কায়াহীন না কায়াময় এইসম চিরকালীন বিতর্ক ক্ষণিকের জন্য মুলতুবি রেখে পাঠক যখন ভূতের গল্প পড়তে বসে তখন সে চায় একটা নিটোল গা ছমছমে রোমাঞ্চকর গল্প যা শেষ হয়ে যাবার পরে মনে একটা দ্বিধা দ্বন্দ্ব তৈরি করবে। অর্থাৎ যা পড়লাম তা কি সত্যিই না সবটাই একটা আস্ত গাঁজাখুরি।




বইঃ আনন্দমেলা রহস্য গল্পসংকলন
সম্পাদকঃ
পৌলমী সেনগুপ্ত
তথ্যঃ
রহস্যের গোলকধাঁধা বড়দের তো বটেই, ছোটদেরকেও তীব্র আকর্ষণ করে। ছোটদের সেরা পত্রিকা আনন্দমেলা কিশোর-চিত্তজয়ী রহস্য গল্প প্রকাশ করেছে প্রচুর। ১৯৭৫ সালে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই আনন্দমেলা-র পাতায় পাতায় অনবদ্য সব রহস্যকাহিনির ছড়াছড়ি। আর সেই সব রহস্য এবার একসাথে।




বইঃ টেনিদা সমগ্ৰ
লেখকঃ নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
তথ্যঃ টেনিদা মূলত উত্তর কলকাতার পটলডাঙায় বসবাসরত একটি স্থানীয় চরিত্র। টেনিদার প্রকৃত নাম ভজহরি মুখার্জি। পটলডাঙার আশেপাশে ​​বসবাসরত চার তরুণ ছেলেদের একটি দলের নেতা টেনিদা পড়াশোনায় তেমন ভালো ছিলেন না। সাত বারের চেষ্টাতে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছিলেন তিনি। টেনিদা বিখ্যাত ছিলেন তার খাঁড়ার মত নাকের জন্যে, গড়ের মাঠে গোরা পেটানোর জন্যে। আর তার বিখ্যাত সংলাপ, "ডি-লা গ্রান্ডি মেফিস্টোফিলিস ইয়াক ইয়াক"। টেনিদা সম্বন্ধে গল্পকথক প্যালারাম বলেছেন, "টেনিদাকে নইলে আমাদের যে একটি দিনও চলে না। যেমন চওড়া বুক - তেমনি চওড়া মন।" "পাড়ার কারও বিপদ-আপদ হলে টেনিদাই গিয়ে দাঁড়িয়েছে সকলের আগে। লোকের উপকারে এক মুহুর্তের জন্য তার ক্লান্তি নেই - মুখে হাসি তার লেগেই আছে। ফুটবলের মাঠে সেরা খেলোয়াড়, ক্রিকেটের ক্যাপ্টেন। আর গল্পের রাজা। এমন করে গল্প বলতে কেউ জানে না।"




বইঃ সূর্যতামসী
লেখকঃ
কৌশিক মজুমদার
তথ্যঃ
রহস্য সিরিজ পড়ার নেশা রহিয়াছে? বহুদিন কোন উৎকৃষ্ট শ্রেণীর মগজের পুষ্টিকারক ডিটেকটিভ বইয়ের অভাব বোধ করিতেছিলেন? সেই অভাব অভাবনীয় উপায়ে পূর্ণ করিতে চলিয়াছে বুক ফার্ম প্রকাশন। তাঁহাদের অন্যতম লেখক কৌশিক মজুমদারের লেখা যিনি একবার পড়িতে শুরু করিয়াছেন, বই শেষ না হওয়া অবধি দুনিয়ার সমস্ত কিছু তিনি ভুলিতে বাধ্য। কৌশিকবাবুর 'সূর্যতামসী' উপন্যাসখানি অতীব চিত্তাকর্ষক। ইহার প্রতি অধ্যায় দুর্দান্ত চমক, প্রতি পাতা চরম উত্তেজনা, আনন্দ ও বিষ্ময়ের সৃষ্টি করিবেই। এই ধরণের বই বাজারে প্রথম। কাহিনীর এক বড় অংশ জুড়িয়া রহিয়াছে উনিশ শতকের কলিকাতা, যাদুবিদ্যা, ভয়ংকর ষড়যন্ত্র, একদল উন্মাদ, ফ্রিম্যাসনের গুপ্ত সমিতি আর বেশ কিছু নৃশংস হত্যাকান্ড। রহিয়াছে বর্তমান কালের চন্দননগরে অনূরুপ হত্যা, গুপ্তধনের আভাস আর এক তরুণ ডিটেকটিভ। বইয়ের অন্তিমে এমন চমক উপস্থিত যাহাতে আপনাকে দ্বিতীয়বার বইটি পড়িতেই হইবে। খুব কম ডিটেকটিভ বইয়ের ক্ষেত্রে এমনটি বলা যায়।




বইঃ রবীন্দ্রনাথের পড়াশোনা
গভেষকঃ
উজ্জ্বল্কুমার মজুমদার
তথ্যঃ
রবীন্দ্রনাথের নিবিড় পাঠক যাঁরা, তাঁদের কি কখনো মনে হয় কী পড়তেন রবীন্দ্রনাথ? বীজের ভেতর থেকে অরণ্য জন্ম নেওয়ার নবীন আনন্দের মতো এই গ্রন্থে ফুটে উঠেছে সেই গহন কথা।




বইঃ ভয় সমগ্র
লেখকঃ
বিভূতীভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
তথ্যঃ

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে ভূতে বিশ্বাসী ছিলেন। পরলোকের ওপর তাঁর আগ্রহ ও বিশ্বাসের কারণ ছিল তাঁর প্রথম স্ত্রী-র অকালমৃত্যু। তাঁর গল্পের অলৌকিক উপকরণগুলি বিচিত্র। সেখানে ছায়ামূর্তি আছে, ডাকিনী আছে, প্রেতাত্মা আছে, আছে তন্ত্র-মন্ত্র, আছে আতঙ্ক। গত শতাব্দীর সত্তর দশকের গোড়ায় বিভূতিভূষণের বাইশটি ভূতের গল্পকে একত্র করে একটি সংকলন ভীষণ জনপ্রিয়তা পায়। এরপর বিভিন্ন মোড়কে প্রকাশিত হয় বিভূতিভূষণের ভৌতিক তথা অলৌকিক গল্পের একাধিক সংকলন— যার অধিকাংশই অসম্পূর্ণ এমনকী কিছু ক্ষেত্রে অন্য বিষয়ক গল্পও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই অবস্থায় প্রয়োজন ছিল তাঁর যাবতীয় ভয়ের গল্পকে এক মলাটে প্রকাশ যেখানে বিভূতিভূষণের ভূতের গল্পের পাশাপাশি স্থান পাবে সবকটি অতীন্দ্রিয় তথা অতিপ্রাকৃত তথা পারলৌকিক ব্যাখ্যাতীত গল্প।




বইঃ ডমরু-চরিত
লেখকঃ ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
তথ্যঃ ডমরুধরের কাহিনিগুলো গুলগাপ্পিতে ভরা। বিষয়ী লোক ডমরুধর অত্যন্ত অসৎ এবং কৃপণ। সে বিভিন্ন বিচিত্র ঘটনার মুখোমুখি হয়। কখনো প্রতিবেশীর লুকানো মোহর চুরি করে। তা খুবই সূক্ষ্মভাবে হাপিস করে দেয়। চুরির টাকায় সুন্দরবনের জলায় জমিদারি কেনে। কিন্তু পত্তন করতে পারে না। সেই না-পারার পেছনে আছে চড়ুইপাখি সাইজের মশাদের উৎপাত! কীভাবে নিধন হল ভয়ংকর মশারা জানতে পড়ুন ডমরুধরের কাহিনি।
দেবী দুর্গার আরাধনা করেন ডমরুধর। নিজেকে দাবি করেন দেবীর সাক্ষাৎকার বরপুত্র। এইখানে তৎকালীন সময়ের চাইতে অনেকবেশি প্রাগ্রসর চিন্তার প্রমাণ দিয়েছেন ত্রৈলোক্যনাথ। তিনি ধর্মীয় সংস্কারের বাড়াবাড়িকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। সন্ন্যাসী এসে ডমরুধরের ধনসম্পদ দ্বিগুণ করে দেওয়ার লোভ দেখাল। কিন্তু হুঁশিয়ার ডমরু তাতে মজবেন কেন? হ্যা, লোভে পড়ল ডমরু। তারপর আত্মা নিয়ে কী নাকালটাই না হল।



15 last posts shown.